টাঙ্গাইল – সবুজে ঘেরা নদী, ইতিহাস আর তাঁতের শহর
টাঙ্গাইল বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা, যা বিখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ি, পোড়াবাড়ীর চমচম এবং ঐতিহাসিক মহেরা জমিদার বাড়ি-এর জন্য পরিচিত। ঢাকার কাছে হওয়ায় এটি স্বল্প সময়ের ভ্রমণের জন্য আদর্শ গন্তব্য।
টাঙ্গাইল বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা, যা বিখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ি, পোড়াবাড়ীর চমচম এবং ঐতিহাসিক মহেরা জমিদার বাড়ি-এর জন্য পরিচিত। ঢাকার কাছে হওয়ায় এটি স্বল্প সময়ের ভ্রমণের জন্য আদর্শ গন্তব্য।
বাংলাদেশের হৃদয়ে অবস্থিত কিশোরগঞ্জ শুধু একটি জেলা নয়, এটি প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক জীবন্ত গল্প।
রাঙামাটি ভ্রমণ মানেই সবুজ পাহাড়, কাপ্তাই লেকের নীল জল আর পাহাড়ি সংস্কৃতির শান্ত ছোঁয়া ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলার সেরা জায়গা।
বাংলাদেশের বর্ষাকাল মানেই সবুজে ঢাকা প্রকৃতি, ঝিরিঝিরি বৃষ্টি আর নদী-নালার উচ্ছ্বসিত রূপ। এই মৌসুমে দেশের অনেক জায়গা হয়ে ওঠে স্বপ্নময়।
বাংলাদেশের বরিশাল অঞ্চলের ভাসমান বাজার দেশের নদীমাতৃক জীবনধারা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রতীক। বরিশাল, যা “বঙ্গের ভেনিস” নামে পরিচিত
লাকমা ছড়া একটি জায়গা নয়, এটি একটি অনুভব।বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার হিসেবে সুপরিচিত। লাকমা ছড়া কোন বৃহৎ ঝর্ণা নয়। এটি ক্ষীণ, শান্ত, কিন্তু গভীর।
হিজল-করচ বাগান হলো প্রকৃতির শান্ত সৌন্দর্যের এক উন্মুক্ত চিত্রশালা। এটি এমন একটি স্থান, যেখানে আপনি নিজেকে প্রকৃতির গভীরে হারিয়ে ফেলতে পারবেন।
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন শুধু প্রাকৃতিক সম্পদেই নয়, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেও সমৃদ্ধ।
যান্ত্রিক জীবনের জটিলতা এড়িয়ে নিরব নিস্তব্ধ পরিবেশে আভিজাত্যের সাথে দুই একটা দিন ঘুরে আসুন সুন্দরবনের পাশে অবস্থিত দ্যা ফরেস্ট রিট্রিট রিসোর্ট।
বসন্তের টাঙ্গুয়ার হাওর যেন প্রকৃতির এক স্বর্গীয় উপহার। শীতের শেষে প্রকৃতি যখন নতুন প্রাণ ফিরে পায়, তখন এই হাওরও ধীরে ধীরে এক অন্য রূপ ধারণ করে।
টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত একটি বিস্তীর্ণ জলাভূমি, যা প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্যের আধার।
সুন্দরবন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন,, যেখানে হাজারো বন্যপ্রাণী বাস করে। এই বনাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাণী হলো লাল কাকড়া (Ocypode macrocera)।
বর্ষাকালে টাঙ্গুয়ার হাওর প্রকৃতির এক বিস্ময়কর উপহার। যারা প্রকৃতি ভালোবাসেন এবং জলরাশির মাঝে এক অনন্য অভিজ্ঞতা নিতে চান, তাদের জন্য এটি এক আদর্শ গন্তব্য
টাঙ্গুয়ার হাওরের বর্ষাকালীন সৌন্দর্য কেবল চোখে দেখার বিষয় নয়, এটি এক আবেগ, এক অনুভূতি! এটি শুধু একটি পর্যটনস্থল নয়, বরং প্রকৃতির এক বিস্ময়কর উপহার।
টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি, যা সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলায় বিস্তৃত। টাঙ্গুয়ার হাওর কেবল একটি জলাভূমি নয়, এটি প্রকৃতির এক স্বপ্নময় রূপ।
Deep forest, surrounded by dense trees. In the meantime, an ancient brick-and-stone temple stands tall. Handmade bricks, lime, and local river sand were used to build the temple.
গহিন বন, চারদিকে ঘন গাছের সারি। এরই মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ইট পাথরের প্রাচীন এক মন্দির। মন্দিরটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে হাতে তৈরি ইট ও চুন এবং স্থানীয় নদীর বালু।
সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যেখানে প্রকৃতি নিজেই তৈরি করেছে এক অনন্য প্রাণীকুল। এই বিস্তীর্ণ জলাভূমি ও সবুজ অরণ্য হাজারো প্রাণীর আশ্রয়স্থল।
The Kalabogi Ecotourism Center, located in Khulna District’s Dacope Upazila, is part of the Sundarbans West Forest Department, which falls within the Khulna Range.
যান্ত্রিক জীবনের জটিলতা এড়িয়ে নিরব নিস্তব্ধ পরিবেশে আভিজাত্যের সাথে দুই একটা দিন ঘুরে আসুন সুন্দরবনের পাশে অবস্থিত গহীনে নদীর কোল ঘেষে সম্পূর্ণ ইকো সিষ্টেমে তৈরি বনবিবি ফরেষ্ট রিসোর্ট।
Sundarban tour package will take you to every interesting nook and corner of Sundarban. You will feel rejuvenated and enjoy the nature to the fullest.
যান্ত্রিক জীবনের জটিলতা এড়িয়ে নিরব নিস্তব্ধ পরিবেশে দুই একটা দিন ঘুরে আসুন সুন্দরবনের পাশে অবস্থিত ইকো রিসোর্ট গুলোতে। রিসোর্টের চমৎকার লাউঞ্জ আর ওপেন ডাইনিং প্লেসে বসে সেরে নিতে পারবেন ন্যাচরাল মেডিটেশন।
বাংলাদেশের মধ্যে অন্যতম দর্শনীয় স্থান হচ্ছে সুন্দরবন। রয়েল বেঙ্গল টাইগারসহ অসংখ্য পশু-পাখির সমাগম এবং এ বনে রয়েছে অবিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ।
যান্ত্রিক জীবনের জটিলতা এড়িয়ে নিরব নিস্তব্ধ পরিবেশে আভিজাত্যের সাথে দুই একটা দিন ঘুরে আসুন সুন্দরবনের গহীনে নদীর কোল ঘেষে সম্পূর্ণ ইকো সিষ্টেমে তৈরি জঙ্গলবাড়ি ম্যানগ্রোভ রিসোর্টে।
বাংলাদেশের বণ্যপ্রাণীর বৃহত্তম আবাসস্থল সুন্দরবন জুড়েই পর্যটকদের জন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার অপার সুযোগ রয়েছে।
শতভাগ অর্গানিক মধু পাওয়া যায় সুন্দরবনে।সুন্দরবনের প্রাকৃতিক চাকের মধু হলো বাংলাদেশের সর্বোৎকৃষ্ট মধু। বুনো মৌমাছির দল এসকল গাছের ফুল থেকে পুস্পরস সংগ্রহ করে তাদের মৌচাকে মধু হিসেবে জমা করে।
সুন্দরবনের গহীনে নদীর কোল ঘেষে সম্পূর্ণ ইকো সিষ্টেমে তৈরি সুন্দরী ইকো রিসোর্ট।তাই নিরব নিস্তব্ধ পরিবেশে ঘুরে আসুন সুন্দরবনের পাশে অবস্থিত সুন্দরী ইকো রিসোর্টে।
সুন্দরবন ছাড়া আর কোনো জলার বনে যেমন বাঘ নেই, তেমনি সুন্দরবনের নদী-খাল ছাড়া আর কোথাও কুমিরও দেখা যায় না।
সুন্দরবন ভ্রমণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় সময় বর্ষাকাল।
সময় এবং অর্থ সাশ্রয়ের অভাবে সঙ্গী না খুঁজে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে একাই বেড়িয়ে পড়েন অনেক ভ্রমণপ্রিয়।